৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৪ঠা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি| রাত ২:৫৫| গ্রীষ্মকাল|
শিরোনাম:
বেলাবতে পুলিশের পৃথক অভিযানে ৪ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ৩ নরসিংদীতে অধ্যক্ষের উপর হামলা, থানায় ডায়েরি বেলাবোতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড ও জরিমানা বেলাবতে আনন্দ মিছিল করেছে নবগঠিত উপজেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রায়পুরার আলোচিত জুয়েল হত্যা মামলার পলাতক আসামি জীবন মিয়া গ্রেফতার বেলাবোতে মাদকসহ নারী গ্রেফতার: ২২ পিস ইয়াবা ও ৫০ পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন বেলাবো উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি গঠন সভাপতি মামুন সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল বেলাবোতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে পাট বীজ ও সার বিতরণ নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি আওয়াল সম্পাদক সজল

বেলাবতে তামিম অপহরণ মামলার আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, আগস্ট ১৮, ২০২৫,
  • 135 Time View

 

নিজস্ব প্রতিনিধি:

নরসিংদীর বেলাবতে তামিম মিয়া অপহরণ মামলার আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তামিম মিয়ার বাবা মো: জুয়েল মিয়া।

রবিবার (১৭ আগষ্ট) বিকালে বেলাব প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন জুয়েল মিয়া।

জুয়েল মিয়া উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের একজন নির্বাচিত সদস্য ও মরিচা কান্দা গ্রামের বাসিন্দা। তামিম মিয়া জুয়েল মিয়ার একমাত্র ছেলে।

সংবাদ সম্মেলনে জুয়েল মিয়ে ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, গত ০১ মার্চ ২০২৫ ইং তারিখে আমার ছেলে মো: তামিম মিয়া (১৩) সহ শাওন ও আপন নামে আমার আরও দুই ভাতিজা উপজেলার নারায়নপুর বাজারে কবুতর বিক্রি করতে যায়। কিন্তু কবুতর বিক্রি করার পূর্বেই ১। বিল্লাল মিয়া (৪০), পিতা: ফিরোজ মিয়া, ২। মোজাহিদ (২০), পিতা: বিল্লাল মিয়া, ৩। ইউসিন মিয়া (২২) পিতা: কালাম মিয়া সর্বসাং কাঙ্গালিয়া, ৪। সজিব আহমেদ দুলাল (৩৮), পিতা: ফিরোজ মিয়া, সাং মরিচা কান্দি সর্ব থানা বেলাব জেলা নরসিংদী সহ আরও অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জন অভিযুক্ত ব্যক্তি আমার ছেলে মো: তামিম মিয়াকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরণের পর শাওন ও আপন নামে আমার দুই ভাতিজা নারায়নপুর বাজার থেকে আমার ০১৮১৪-২৭৯০১৩ নাম্বারে ফোন করে অপহরণের বিষয়টি জানায়। তারা বলেন যে, ১০-১২ জন লোক বাজার থেকে তামিমকে তুলে নিয়ে যায়।

অপহরণের খবর পেয়ে আমি হতভম্ব হয়ে পরি। এ খবর পাওয়ার ১০-১৫ মিনিট পর আমার মোবাইলে ০১৮৮৮-৭৬৫৫১০ নাম্বার থেকে একটি ফোন আসে। ফোনে প্রথমে আমার ছেলে তামিম বলেন ১০ লাখ টাকা মুক্তপন দিতে না পারলে আমার ছেলেকে মেরে ফেলবে। তারপর বিল্লাল মিয়া তামিমের হাত থেকে ফোন নিয়ে আমাকে বলে যে, “আমি বিল্লাল, তুই যদি ১ ঘন্টার মধ্যে ১০ লাখ টাকা নিয়ে ফোন দিতে না পারিস তাহলে তর ছেলেকে মেরে ফেলবো। তারপর আমি বেলাব থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমানকে ফোন করি। তারপর বেলাবো থানা থেকে ব্যবস্থা নিতে দেরী হওয়ায় আমি এসপি মহোদয়কে ফোন করি। এসপি মহোদয় বেলবো থানার ওসিকে ফোন করলে বেলাব থানার ওসি সহ হাইওয়ে ও বেলাব থানার পুলিশ ফোর্স নিয়ে নারায়নপুরের সাধারণ জনতার সহায়তায় কাঙ্গালিয়ার বিল্লালের বাড়ি থেকে উদ্ধার করেন। তারপর ওসি মহোদয় আমার এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কাছে আমার ছেলেকে বুঝিয়ে দিয়ে বেলাব থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন। তারপর বেলাব থানায় উপস্থিত হয়ে আমার স্ত্রী দিলরুবা আক্তার গত ০৩ মার্চ ২০২৫ তারিখে বিল্লাল মিয়া সহ ৫ জনকে নামীয় ও ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা অভিযুক্ত করে বেলাব থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধী (২০০০) এর ৭/৮/৩০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করি। যার মামলা নং ৩/৩/২৫।

উল্লেখ্য যে প্রধান অভিযুক্ত ব্যক্তি মো: বিল্লাল মিয়া নারায়নপুর ইউনিয়নের কৃষকদলের সভাপতি হওয়ায় বেলাব থানা পুলিশ উক্ত মামলার অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। মামলা দায়ের করার ৬ মাস অতিবাহিত হলে বেলাব থানা পুলিশ আসামী ধরতে ব্যর্থ হওয়ায় আজকে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ সহযোগীতা পাওয়ার দাবী জানাই।

এ মামলার বিষয়ে বেলাব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, বেলাব থানা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথেই অপহৃত তামিম মিয়াকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে হস্কান্তর করে।  আমরা আসামী ধরার চেষ্টা করছি। খুব দ্রুত উক্ত মামলার সকল আসামীদের গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category