৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৪ঠা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি| সকাল ৯:৩৪| গ্রীষ্মকাল|
শিরোনাম:
বেলাবতে পুলিশের পৃথক অভিযানে ৪ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ৩ নরসিংদীতে অধ্যক্ষের উপর হামলা, থানায় ডায়েরি বেলাবোতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড ও জরিমানা বেলাবতে আনন্দ মিছিল করেছে নবগঠিত উপজেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রায়পুরার আলোচিত জুয়েল হত্যা মামলার পলাতক আসামি জীবন মিয়া গ্রেফতার বেলাবোতে মাদকসহ নারী গ্রেফতার: ২২ পিস ইয়াবা ও ৫০ পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন বেলাবো উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি গঠন সভাপতি মামুন সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল বেলাবোতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে পাট বীজ ও সার বিতরণ নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি আওয়াল সম্পাদক সজল

রায়পুরায় সরকারি অর্থায়নে মন্দিরের ভবন নির্মাণে বাঁধা, থানায় পাল্টা পাল্টি অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ডিসেম্বর ৩, ২০২৩,
  • 197 Time View

 

শফিকুল ইসলাম, রায়পুরা প্রতিনিধি:

নরসিংদীর রায়পুরায় হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের টাকায় মন্দিরের ভবন নির্মাণ কাজে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় চৌধুরী বাড়ির কিরণ শংকর পাল চৌধুরী ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে রায়পুরা থানায় একটি অভিযোগ করেছেন আশ্রমের সভাপতি সঞ্জয় পাল।
রায়পুরা পৌর শহরে তাত্তাকান্দা এলাকায় পাগলনাথ আশ্রমে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, পৌর শহরের তাত্তাকান্দার চৌধুরী পরিবার কাকন নদীর পাড়ে পাগলনাথের আশ্রমের জন্য মৌখিকভাবে জমি দান করেন। পরে এখানে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহয়তায় স্থাপনা তৈরী করে নিয়মিত পূজা আর্চনা কির্তন হয়ে আসছে। পাগলনাথের আশ্রমকে ঘিরে কাকন নদীর পাড়ে প্রতিবছর চৈত্র মাসের অষ্টমী তিথি উপলক্ষে সারা দেশ থেকে ভক্তদের সমাগম হয়। সম্প্রতি আশ্রমের উন্নয়ন ও জমি স্থায়ী ভাবে দান করার ব্যাপারে রাজি হন চৌধুরী পরিবারের কনিষ্ঠ পুত্র কিরণ শংকর পাল চৌধুরী। পরে তিনি একটি কমিটি গঠনের জন্য তার ভাগ্নে সঞ্জয় পালকে নির্দেশ দেন। কিরণ শংকর পাল চৌধুরী ও তার ভাতিজা উৎপল পাল চৌধুরীকে উপদেষ্টা করে কমিটি গঠন করা হয়। এতে সভাপতি মনোনীত হন সঞ্জয় পাল। সম্প্রতি পাগলানাথের আশ্রমে হিন্দুধর্মী কল্যাণ ট্রাস্টের ১০ লাখ টাকায় মন্দির নির্মাণের কাজ আসে। কমিটির লোকজন ভবন নির্মাণের স্থান নির্ধারণ করতে গেলে বাধা দেন কিরণ শংকর পাল চৌধুরী ও ভাতিজারা।

সঞ্জয় পাল জানান, কমিটি গঠনের পর পাগলনাথ আশ্রম হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের নিবন্ধিত হয়। আশ্রমে একটি মন্দির নির্মাণের জন্য কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে দশ লাখ টাকা প্রদান করা হয়। সেই টাকায় মন্দির নির্মাণ করতে গেলে আমার মামা কিরণ শংকর পাল চৌধুরী, মামাতো ভাই উৎপল পাল চৌধুরী, সজল পাল চৌধুরী ও তাদের লোকজন। সেই সাথে আমাকে মারধরের হুমকিও দেন তারা। পরে এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে রায়পুরা থানা একটি অভিযোগ দেয়।
স্বজল পাল চৌধুরী বলেন, “আমাদের পূর্বপুরুষের জমিতে মন্দিরটি স্থাপিত। আমরাই রক্ষনা বেক্ষন করে আসছি। আমি নিজে যেখানে কাজ গুলো করতে পারি। সেখানে সরকারি অর্থ নিয়ে কেনো কাজ করবো। চাইনা এখানে সরকারি স্থাপনা নির্মাণ করে এখানে অন্যকেউ মাতবরি করবে তা হতে দিবো না, নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমরাই চালাবো।”

রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক অজিত বলেন, “উভয় পক্ষ থেকে থানায় পাল্টা পাল্টি অভিযোগ করে। অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category